আজ ২৯শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১২ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

আদালতের আদেশ অমান্য করে সংখ্যালঘুকে পুঁজি করে পৈত্রিক সম্পত্তি জবর দখলের পায়তারা

শাহীন আলম সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে সংখ্যালঘুর পুঁজি করে বাপ-দাদার পৈত্রিক সম্পত্তি ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসিবাহীনি দিয়ে বার বার জবর দখলের পায়তারার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে সাতক্ষীরা বিজ্ঞ যুগ্ন জেলা জজ ১নং আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সদরের ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নে উমরাপাড়া গ্রামের মৃত পাগল গাজীর পুত্র আলহাজ¦ সুলাইমান গাজীর পৈত্রিক সম্পত্তি ওয়ারেশ হিসাবে ব্রহ্মরাজপুর মৌজার এস এ ৫৪৫,১৮৭৪ সাবেগ দাগ ৬৫৬১,৬৫৫৫ হাল ৮৩৪৭,৮৩৫৮ দাগে মোট ১ একর ৭৪ শতক জমি ভোগদখল করে আসছে। সূত্রে জানা যায় মৃত পাগল গাজীর মৃত্যুর পর তার সমদয় সম্পত্তি ওয়ারেশ হিসাবে পুত্র সুলাইমান গাজী তিন কন্যা আতিরন নেসা,আমেনা খাতুন ও জামেলা খাতুনরা ওয়ারেশ সূত্রে প্রাপ্ত হন। উক্ত নালিশি সম্পত্তি বিষয়ে জানতে চাইলে আলহাজ¦ সুলাইমান গাজী বলেন, ২০০০ সালে আমার পিতার সমদয় সম্পত্তি আমরা ভাই ও বোনেরা সম্মিলিতভাবে আপোষে প্রত্যেক জমির দাগ খতিয়ান উল্লেখ করে ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়ে তার পর থেকে শান্তিপূর্নভাবে আমরা স্ব স্ব স্থানে ভোগ দখল করে আসছিলাম। কিন্তুু একই এলাকার মৃত সাধন ঘোষের পুত্র বিকাশ ঘোষ ও সত্যপদ ঘোষ যোগসাযোগ করে আমার দুই বোন আমেনা ও জামেলার নিকট থেকে ২ মার্চ ২০২০ তারিখে আমার ভোগদখলীয় ১ একর ৭৪ শতক জমির মধ্য থেকে ৩৪ শতক জমি লিখে নেন। জমি বিক্রয়ের বিষয় জানতে পেরে আমি সাতক্ষীরা বিজ্ঞ যুগ্ন জেলা জজ আদালতে মামলা দায়ের করি। বিজ্ঞ আদালত আমার পক্ষে মামলার রায় ঘোষনা করেন। পরবর্তিতে বিকাশ ঘোষ গংরা আমাদের আদালতের মামলার রায়ের বিরুদ্ধে ঢাকা হাইকোর্টে ২৫/০৮/২০২০ তারিখে আদেশের বিরুদ্ধে ২০২০ সালের সিভিল রুল নং ২৯০ (এফ,এম) মামলা করে। মামলার প্রচলিত ১৪/০৯/২০২০ তারিখে হাইকোর্টের মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নালিশি ভূমি যার দখলে আছে সেই দখলে থাকিবে বলে মহামান্য হাইকোর্ট আদেশ দেন। হাইকোর্টের এই আদেশকে অমান্য করে বিকাশ গংরা সংখ্যালঘুকে পুঁজি করে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে আমাদের নামে মিথ্যা হয়রানি মূলক অভিযোগ দিয়ে আসছে। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে সদর থানা বিজ্ঞ আদালতের আদেশ অমান্য করে আমাদের সর্বমোট ১ একর ৭৪ শতক জমি চাষাবাদে বাধা প্রদান করছে। উল্লেখ্য ১ একর ৭৪ শতক জমির মধ্যে নালিশি ৩৪ শতক সম্পত্তি নিয়ে আদালতে মামলা হয়। মামলার রায় আমাদের পক্ষে থাকলেও সদর থানা সে বিষয়ে কোনো কর্ণপাত না করে মিথ্যাভাবে আমাদের হয়রানি করছে এবং চাষাবাদে বাধা প্রদান করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর