আজ ৯ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৩শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

আপনিও জুনিয়র সাংবাদিক থেকে সিনিয়র সাংবাদিক হতে পারবেন

মোঃ শাহিনুর রহমান শাহিন, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি:

তাই সিনিয়র অতীত গুলো টেনে নিয়ে আসুন।
দীর্ঘদিন ধরে শহরে সাংবাদিকতা করাই আমার ছোট এ অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি সাংবাদিক সংক্রান্ত বিষয়ে নিয়ে কাজ করতে গিয়ে প্রথম বাঁধা পেয়েছি খোদ সাংবাদিকদের কাছ থেকেই। সিনিয়রদের ইঙ্গিতে মামলা ও খেতে হয়েছে আমাকে শত দুঃখ কষ্ট নিয়ে আমি মোঃ শাহিনুর রহমান শাহিন। জুনিয়র-দের পাশে সর্বখন….

এক সাংবাদিক আর এক সাংবাদিককে মেনে নিতে নারাজ। বিশেষ করে কতিপয় সিনিয়র সাংবাদিক জুনিয়র সাংবাদিকদের মেনে নিতে চায় না।

প্রায় সময় সিনিয়র সাংবাদিকদের বলতে শুনি ‘ও কিসের সাংবাদিক ? ‘ও কোন মিডিয়ায় কাজ করে ?

আমরা যারা বলি “ও কিসের সাংবাদিক ? ‘ও কোন মিডিয়ায় কাজ করে ? আমরা কি একবার নিজের চোখ বন্ধ করে নিজের সাংবাদিকতায় আসার সময়টা একটু চিন্তা করে দেখি ? আজ হয়তো আমরা দেশের প্রথম শ্রেণীর মিডিয়া হাউজে কাজ করি। কিন্তু আমি বা আমরা কোন মিডিয়ায় কাজ করার মধ্যদিয়ে সাংবাদিকতায় এসেছি তা কি ভেবে দেখেছি ? আপনার আমার সাংবাদিকতাও শুরু হয়েছে কোনো না কোনো নামসর্বস্ব মিডিয়া দিয়ে। নিজের দক্ষতায় আজ ভালো মিডিয়ায় কাজ করছি। আজ যে ছেলেটি নামসর্বস্ব মিডিয়ায় সাংবাদিকতা করছেন কাল সেই ছেলেটি দেশের প্রথম শ্রেণীর মিডিয়ায় কাজ করার সুযোগ পাবেন নিজের যোগ্যতা বলে।

এ ছাড়া প্রায় বলতে শুনি হলুদ সাংবাদিক, কথিত সাংবাদিক আর মুলধারার সাংবাদিক। যারা নামসর্বস্ব মিডিয়ায় কাজ করে তাদের বলা হয় হলুদ বা কথিত সাংবাদিক আর যারা প্রথম শ্রেণীর মিডিয়ায় কাজ করে তাদের বলা হয় মুলধারার সাংবাদিক। আমার মফস্বল সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি মফস্বল সাংবাদিকতাটা অনেকের শুরু হয়েছে হলুদ ও কথিত সাংবাদিকতা দিয়ে। সময়ের পরিবর্তনে সেই হলুদ আর কথিত সাংবাদিক হয়ে উঠে মুলধারার সাংবাদিক।

সব মিলে আমি একটি কথা আগেও বলেছি আজও বলছি, কতিপয় সিনিয়র নিজের সাম্রাজ্য যাতে নষ্ট না হয় সেই জন্য জুনিয়রদের মেনে নিতে নারাজ। কিন্তু তারা জানেন না যে যত বেশি বাঁধা পায় তার সফলতা তত কাছে । আমার সাংবাদিকতার শুরুতে যারা আমাকে পথে পথে বাঁধা দিয়েছেন তাদের সাংবাদিকতা এখন আমার উপর অনেকটা নির্ভরশীল। বাঁধা আমাকে কাজের প্রতি আগ্রহ বেড়ে দিয়েছে। কেন আমাকে তারা সাংবাদিক হতে দিবে না ? কি আছে সাংবাদিকতায় ? এই প্রশ্নের উত্তর খুজতে গিয়ে সাংবাদিক হয়ে গেলাম। এটাই বাস্তবতা প্রিয় কতিপয় সিনিয়র সাংবাদিক সহকর্মীবৃন্দ। জুনিয়রদের ভালোবাসা দিয়ে পাশে রাখেন দেখবেন নিজে সাংবাদিকতার পথ সহজ হবে।

অনেকেই বলেন, অপ-সাংবাদিকতা বন্ধ করতে হবে। জি আপনাদের সাথে আমিও একমত। কিন্তু সাংবাদিকতার নামে অপ-সাংবাদিক কারা করছে ? যারা যুগ যুগ ধরে সাংবাদিকতা করে একটি সিন্ডিকেট তৈরী করেছেন তারাই অপ-সাংবাদিকতার সাথে জড়িত। তাদের সিন্ডিকেট ভাঙ্গতে গেলেই জুনিয়রদের ‘বেয়াদব’ ‘ভুয়া’ ‘কথিত’ ‘হলুদ সাংবাদিক বলে গালি দেয়া হয়। তার সাথে এখন যোগ হয়েছে ‘ও তো বিএনপি-জামাত করে। ও কিসের সাংবাদিক ? জনাব, যদি কখনো আওয়ামীলীগ বিরোধীরা ক্ষমতায় যায় তখন যে ওরা বলবেন ‘ও আওয়ামীলীগ করে, ‘ও কিসের সাংবাদিক ?

শুভ কামনা রইল জুনিয়র সহকর্মীদের জন্য। তোমাদের পাশে আছি থাকবো আমি সংবাদ সাহসী দৈনিক বর্তমান দিন, দৈনিক প্রতিজ্ঞা, সাপ্তাহিক জনতার মিছিল পত্রিকা সাংবাদিক,
মোঃ শাহিনুর রহমান শাহিন, সাতক্ষীরা,,,,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর