আজ ১৪ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৯শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

সাতক্ষীরা ভোমরা স্থলবন্দর সড়কের উপর থেকে যানজট নিরোশন হওয়ায় অখুশি কুচক্রী মহল

সাইফুল কবির মিন্টু ঃ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা স্থলবন্দর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর। এই বন্দর থেকে সরকার প্রতি বছর মোটা অংকের রাজস্ব আয় করে। অথচ বিপাকে পড়ে ছিল সাধারণ পথচারী, স্কুল কলেজ মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ ভ্যান ইজিবাইক মহিন্দ্র মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেল চালককেরা। প্রতিদিন বন্দর সংলগ্ন রাস্তাটিতে এত পরিমানে যানজট সৃষ্টি হত যে সাইকেল, মোটরসাইকেল ভ্যান ইজিবাইকে মহিন্দ্র চলাচল করা তো দুরের কথা পায়ে হেঁটে ও এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা ছিল একেবারে অসম্ভব। শিক্ষার্থীরা সময় মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যেতে পারতো না ফলে তাদের পড়া লেখায় বিঘ্নিত ঘটত। দীর্ঘ দিন ধরে এই যানজটের দূর্বিসহ যন্ত্রনায় ভুগছিল তারা। শুধু তাই নয় ভোমরাসহ আশেপাশের এলাকার লোকজন অসুস্থ্য হয়ে পড়লে এ্যমবুলেসসহ কোনো গাড়ি এই রাস্তা দিয়ে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া ছিল একেবারে অসম্ভব। এলাকাবাসীর এই ভোগান্তি দুর করার জন্য বন্দরের বিভিন্ন দায়িত্বে থাকা কিছু স্বচেতন ব্যক্তি নিজেদের ব্যক্তিগত প্রায় বিশ লক্ষ্য টাকা খরচ করে সরকারের অধিগ্রহণ কৃত জমিতে থাকা খানা খন্দ পুকুর ইট ও বালি দিয়ে ভরাট করেছে। যানজট সৃষ্টি করা ট্রাকগুলো সেখানে দাড়াতে পারে। আমদানি রপ্তানি কাজে ব্যবহৃত ট্রাক গুলো এখন রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে যানজট সৃষ্টি না করে এলাকাবাসির করা পার্কিং এ দাঁড়াচ্ছে যার ফলে এখন আর বন্দর সংলগ্ন রাস্তাটিতে যানজট চোখে পড়ে না। নির্বিঘ্নে চলাচল করছে সব ধরনের যানবাহন। সময় মত শিক্ষার্থীরা যেতে পারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। অসুস্থ ব্যক্তিদের নিয়ে যেতে পারে ডাক্তারের কাছে। কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে চল্লিশ জন হতদরিদ্রের, যারা সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আজিবুর রহমান আলিমের নেতৃত্বে সীমাহীন পরিশ্রম করে যানজট নিরসনে কাজ করে চলেছে। ভ্যান, ইজিবাইক ও মহিন্দ্র চালকেরা এখন ভোমরা থেকে যাত্রী নিয়ে তাদের গন্তব্যে পৌঁছিয়ে দিয়ে সেই আয় থেকে জীবিকা নির্বাহ করতে পারে। এটা যেন সেই সব কুচক্রী দের গায়ে আগুন ধরে গেছে। তারা আবার ও কি ভাবে রাস্তায় যানজট সৃষ্টি করা যায় সেই ভাবনায় মরিয়া হয়ে উঠেছে। তারা ব্যক্তিগত টাকা খরচ করে রাস্তাটিকে যানজট মুক্ত করলো চল্লিশ জন হতদরিদ্র মানুষের দুবেলা দুমুঠো ভাতের ব্যাবস্থা করলো তাদের নামে দিতে থাকলো মিথ্যা অপবাদ। এখানেই শেষ নয় এই স্বার্থনেশী মহল সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে মিডিয়ার কাছে তাদের চাঁদাবাজ ও বানাতেও তারা এতটুকু পিছুপা হয়নি। তবে বন্দর সংলগ্ন রাস্তাটি এখন যানজট মুক্ত হওয়ায় সাধারণ পথচারী, ভ্যান চালক ও ট্রাক চালকরা এখন মহা খুশি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর